লুৎফর সিকদার-গোপালগঞ্জ-
গোপালগঞ্জ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান। উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলার মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবীবুল্লাহ বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব তারেক সুলতান জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ আলম সেলিম ও সিকদার শহিদুল ইসলাম লেনিন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো. ফজলুল কবির দারা এবং গোপালগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবিরুল ইসলাম।
সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় দিবসটির ইতিহাস, জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের সম্মিলিত ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও দেশপ্রেমের চর্চার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।
সভায় দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দিবসটির কর্মসূচি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা এবং দিবসটি মর্যাদাপূর্ণভাবে উদযাপনে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এবারের আয়োজন আমরা সকলে মিলে করবো! দীর্ঘ ১৭ বছর এই দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন হয়নি!






