দৈনিক সুদিন ডেস্ক –
বগুড়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে আব্দুল করিম নামে এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় সহযোগিতার দায়ে সজীব পাইকার নামে অপর এক ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুনানি শেষে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক এ এস এম তাসকিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আব্দুল করিমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সজীব পাইকারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল করিম বগুড়ার গাবতলী উপজেলার রামেশ্বরপুর পশ্চিম তেজোপাড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমান (মজি) পাইকারের ছেলে। অপর আসামি সজীব পাইকার একই গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী মোছা. সীমা খাতুন একই গ্রামের হাফিজার রহমানের স্ত্রী। তার স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে আব্দুল করিম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন। এতে সাড়া না দেওয়ায় ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে একা পেয়ে চাকু দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন আব্দুল করিম। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেন সজীব পাইকার।
পরে সীমা খাতুন আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোজাম্মেল হক। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ জহুরুল হক।





